ট্রেনে হকারি থেকে জাতীয় হাঁটা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ,এক ইচ্ছেপুরণের গল্প

চোখে স্বপ্ন থাকলেও জীবনযুদ্ধে লড়াইয়ে নেমে তা অধিকাংশ সময় পুরণ করা সম্ভব হয় না | অনেকেই তাকে বুকে চেপে রাখেন | কিন্তু হুগলির যে মানুষের কথা আমরা বলব তিনি সেই ইচ্ছে আর আগুনকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন | খেলোয়াড় হোয়ার অদম্য সেই বাসনাকে বাস্তবে পরিণত করতে স্বপ্ন দেখা ছাড়েননি কখনও |

বালি চটকলে কাজ,(Quick work)সঙ্গে আবার ট্রেনের হকারি। জীবন যুদ্ধে প্রতিনিয়ত চলছে লড়াই তবু হার মানাতে পারেনি তার ইচ্ছেকে । হকারি করেও প্রতিদিন ১০ কিলোমিটার হাঁটা ছিল তার অনুশীলন ।

আর আজ এই অনুশীলন জাতীয় হাটা প্রতিযোগিতায় জায়গা করে দিল কোন্নগরের অভিজিৎ মুখার্জিকে(Abhijit Mukherjee) । আগামী ৯ ই জানুয়ারি অভিজিৎ(Abhijit) কেরালায় নামতে চলেছে হাটা প্রতিযোগিতায় ।

অভিজিৎ এর অভিযোগ, “আমি আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে জীবন কাটালেও রাজ্য স্তরের বহু প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলেও জাতীয় হাটা প্রতিযোগিতায় প্রথম সুযোগ পেয়েছি ।

তবে জাতীয় স্তরে সুযোগ পেলেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক সমস্যা । অভিজিৎ বলেন বেশ কিছু সংগঠনের সহযোগিতার পাশাপাশি এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় বিধায়ক প্রবীর ঘোষাল(Prabir Ghoshal)| তার আর্থিক ভাবে সহযোগিতাই তাকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে বলে আশা তার |

কালো টাকা উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য কেন্দ্রীয় সরকারের, ৫১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের

বিদেশে কালো টাকা( Black money ) পাচার করতে গিয়ে সিবিআইয়ের জালে ধরা দিলেন ৫১ জন ভারতীয়। এদের মধ্যে ৪৮ জন ব্যক্তি এবং টি সংস্থা অর্থাৎ মোট ৫১ জন আছেন বলে খবর মিলেছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনারা প্রায় ১০৩৮ কোটি টাকা হংকংয়ে পাচার করেছিলেন। ২০১৪-১৫র মধ্যে এই টাকা লেনদেন হয় বলে সিবিআই সূত্রে জানা গেছে। ৪৮ জন ব্যক্তির বেশিরভাগ চেন্নাইয়ের বাসিন্দা ।এদের মধ্যে কয়েকজন হলেন মহম্মদ ইব্রামসা জনি, জিন্তা মিধার এবং নিজামুদ্দীন। তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই জানতে পারে, অভিযুক্তদের নামে রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্কগুলির স্থানীয় শাখাগুলিতে প্রায় ৫১টি অ্যাকাউণ্ট খোলা হয় ।

অ্যাকাউণ্টগুলির ২৪ টি থেকে প্রায় ৪৮৮.৩৯ কোটি টাকা প্রাথমিক পর্যায়ে পাঠানো হয়। এগুলি কিছু জিনিস লেনদেনের হেতু অ্যাডভান্স হিসেবে পাঠানো হয় সিবিআই সূত্রের খবর ।

আনানো জিনিস এবং টাকার অঙ্কের মধ্যে বিস্তর ফারাক পাওয়া গেছে। একই রকমভাবে বাকি ২৭ টি অ্যাকাউণ্ট থেকে ভারতীয় পর্যটকদের বিদেশ যাত্রার নাম করে ৫৪৯.৯৫ কোটি টাকা পাঠানো হয় হংকংয়ে। টাকা লেনদেনের পুরোটাই বেআইনিভাবে করা বলে অনুমান ।

৫১র মধ্যে যে তিনটি সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের কারবার লাখে হলেও বিদেশে পাচার করা কালো টাকার(Black money) অঙ্ক কোটিতে বলে সেই সংস্থাগুলির অডিট করে সিবিআই জানতে পেরেছে। লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাঙ্ক আধিকারীকদের বিরুদ্ধেও লেনদেন করে দেওয়ার বিনিময়ে ক্যাশ মারফত ঘুঁষ নেওয়ার উঠেছে অভিযোগ। তাদের বিরুদ্ধেও সিবিআই তদন্ত করবে বলে খবর ।

৪৩ বছর আগে ৩ যুবক NDA তে একসাথে করেছিলেন ট্রেনিং! তারা তিন সাথীই আজ সেনাপ্রমুখ।

যে তিনটি ছেলে এক সময় একসাথে NDA এর প্রশিক্ষণ করেছিলেন তারা তিনজন আজ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত হয়েছেন। স্থলবাহিনীর প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নরবান, বিমান বাহিনী প্রধান মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া এবং নৌ-প্রধান-অ্যাডমিরাল করমবীর সিং তিনজন NDA এর ১৯৭৬ ব্যাচের ব্যাচমেট ছিলেন। ৩১ শে ডিসেম্বর ২০১৯ এ ৫৯ বছর বয়সী সেনা কর্মকর্তা মুকুন্দ নারওয়ান(Mukund Narwan) ২৮ তম সেনাপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন যারপর এই তালমেল সম্ভব হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে বেশ চর্চা হয়েছে।

জানিয়ে দি, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইতিহাসে ২৮ বছর পরে এটি আবার ঘটেছে যে একই এনডিএ ব্যাচের ক্যাডেটরা তিনটি সেনাবাহিনীর সভাপতি হয়ে উঠেছে। ১৯৭৬ সালে যখন তিন যুবক NDA তে ট্রেনিং নিচ্ছিলেন তখন সম্ভবত তারা কখনোই ভাবেননি যে তারা একসাথে এইভাবে দেশের সেবা করার সুযোগ পাবেন।

ন্যাশনাল ডিফেন্স একাডেমিতে থাকাকালীন তিন জিনেই দেশের সেবা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে একসাথে তিন সাথী দেশের সেবার সুযোগ পাবেন সেটা হয়তো ভাবেননি। সেনাবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পরে, জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নারওয়ান তার ব্যাচমেট তথা নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল করমবীর সিং(Admiral Karambir Singh) এর সাথে জুড়ে যান।

অ্যাডমিরাল করমবীর সিং ৩১ মে নৌবাহিনী প্রধান হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, এবং এয়ার চিফ মার্শাল রাকেশ কুমার সিং ভদৌরিয়া(Rakesh Kumar Singh Bhadoria) ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতীয় বিমান বাহিনীর প্রধান হিসাবে যোগদান করেছিলেন

তিন সেনা অফিসার এনডিএ-তে তাদের তিন বছর প্রশিক্ষণ শেষ করার পরে, তারা 1980 সালের জুন-জুলাইয়ে অফিসার হিসাবে কমিশনার হওয়ার আগে তাদের নিজ নিজ সার্ভিস একাডেমিতে গিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা এই বিরল ঘটনা সম্পর্কে এই গণমাধ্যমকে বলেছেন যে এনডিএ ব্যাচের এই তিন অনুগামীদের তাদের পরিষেবা প্রধান হওয়া খুব বিরল।

রক্তাক্ত JNU! ABVP এর মারে মাথা ফাটল বাম ছাত্র নেত্রী কমরেড ঐশী ঘোষের

জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (JNU) দুই ছাত্র সংগঠনের(Of two student organizations) মধ্যে ব্যাপক মারধরের খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ছাত্র সঙ্ঘের কয়েকজন পেরিয়ার হোস্টেলের বাইরে ছাত্রদের উপর পাথর ছুঁড়ে হামলা করছিল এরপর সেখানে সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনের (ABVP) ছাত্ররা এসে হাজির হয়।

ABVP এর ছাত্ররা এসে হাজির হতেই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গণ্ডগোল বাধে। জওহর লাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সঙ্ঘের সভাপতি ঐশী ঘোষ(President Ishii Ghosh) জানান, ‘কয়েকজন মাস্ক পড়া গুন্ডারা মিলে আমার উপর হামলা করে। আমাকে অমানুষের মতো মারে তাঁরা। আমার মাথা দিয়ে রক্ত বেরাচ্ছে।”

বাম ছাত্র সংগঠন অভিযোগ করে যে, ABVP এর মুখোশ পড়া ছাত্ররা তাঁদের উপর হামলা করেছে। যদিও এখনো পর্যন্ত হামলাকারীর পরিচয় জানা যায়নি। এই ঘটনার পর JNU এর গেটের বাইরে আর ভিতরে প্রচুর সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পরমাণু ক্ষমতা সম্পন্ন ছয়টি ডুবোজাহাজ যুক্ত করে মারক ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চলেছে নৌসেনা

নৌসেনা নিজের মারক ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ২৪ টি ডুবো জাহাজ যুক্ত করার পরিকল্পনা করছে। ২৪ টির মধ্যে ১৮ টি পারম্পরিক আর ছয়টি পরমাণু হামলা করার জন্য ডুবো জাহাজের(Aboard the ship) একটি বড় স্কোয়াড্রান(The squadron) তৈরি করার পরিকল্পনা করছে। এই তথ্য প্রতিরক্ষা মামলায় স্থায়ী সমিতি সংসদে শীতকালীন অধিবেশনে পেশ করা একটি রিপোর্টে দেয়।

রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, নৌসেনা ১৮ টি পারম্পরিক আর ছয়টি এসএসএন(SSN) ( পরমাণু হামলা করতে সক্ষম ) ডূবো জাহাজের তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছে। নৌসেনায় এখন ১৫ টি পারম্পরিক ডুবো জাহাজ আছে, আর একটি পরমাণু ক্ষমতা সম্পন্ন ডুবো জাহাজ লিজে নেওয়া আছে।

ইন্ডিয়ান নেভি আরিহান্ট ক্লাসের এসএসবিএন ছাড়াও ছয়টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন বানানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। আরিহান্ট একটি পরমাণু ক্ষমতা সম্পন্ন এসএসবিএন ডুবোজাহাজ(SSBN Shipwreck), এই ডুবো জাহাজে নিউক্লিয়ার মিসাইল সিস্টেম যুক্ত আছে। নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিনের নির্মাণ দেশেই করার পরিকল্পনা চলছে, আর এর জন্য প্রাইভেট কোম্পানি গুলোর সাথে কাজ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।

বর্তমানে নৌসেনা রাশিয়া কির্লো বার্গ(Kirlo Berg), জার্মানির এচডিডাব্লিউ আর পারম্পরিক ডোমেনে নবীনতম ফ্রেঞ্চ স্করপিয়ন শ্রেণীর ডুবো জাহাজ ব্যাবহার করছে। আর পরমাণু ডুবো জাহাজ হিসেবে নৌসেনা রাশিয়ার থেকে একটি আইএনএস চক্র ডুবো জাহাজ লিজে নিয়ে চালাচ্ছে। নৌসেনার সংসদীয় সমিতি জানায়, গত ১৫ বছরে মাত্র দুটো ডুবো জাহাজকে যুক্ত করা হয়েছে নৌসেনায়। আর বাকি ডুবো জাহাজ গুলো ১৭ থেকে ৩১ বছরের পুরনো।

CAA সমর্থনে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে বিশাল মিছিল মতুয়া সম্প্রদায়ের

CAA আইন সমর্থনে নদীয়ার কৃষ্ণগঞ্জে বিশাল মিছিল করলো মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজন। আজ বিকালে এই মিছিলে হয়। মিছিলটি কৃষ্ণগঞ্জ বাজার থেকে শুরু হয়ে মাজদিয়া কলেজ প্রাঙ্গনে শেষ হয়। এই মিছিলের উদ্যোক্তা সারা ভারত মতুয়া মহাসঙ্ঘের কৃষ্ণগঞ্জ শাখা । মিছিলে কয়েক হাজার মতুয়া সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন ।মিছিল থেকে CAA সমর্থনে জোরালো আওয়াজ তোলা হয়। সেইসঙ্গে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই আইন পাশ করানোর জন্য নরেন্দ্র মোদিকে(Narendra Modi) ধন্যবাদ জানানো হয় সভার তরফে। মিছিল শেষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন মতুয়া সমাজের নেতৃবৃন্দ, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মুকুট মনি অধিকারী(Mukuṭa mani adhikārī)।

ব্যস্ত সময়ে ভাঙল স্টেশনের ভবনের একাংশ, দেখে নিন ভেঙে পড়ার মুহূর্তের ভিডিয়ো

নভেম্বরে বর্ধমানে(Bardhamānē) স্টেশনের ফুটব্রিজে পদপিষ্ট হয়ে জখম হয়েছিলেন অন্তত ১৫ জন যাত্রী। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে শনিবার ঠিক ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ ভেঙে পড়লব স্টেশনের মূল ভবনের একাংশ। দেখে নিন ভেঙে পড়ার মুহূর্তের ভিডিয়ো

নৈহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার মালিক নূর হোসেন

নৈহাটির ( Naihati)বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে চার জনের মৃত্যুর(Four people died) ঘটনায় পুলিস বাজি কারখানার মালিক নূর হোসেনকে গ্রেপ্তার করলো। গতকাল রাতে তাকে আমডাঙ্গা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। জানা গিয়েছে, গতকাল শুক্রবার(friday) দুপুরে নৈহাটির মামুদপুরে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে, বিস্ফোরণের শব্দ ৭-৮ কিলোমিটার দূরে থেকেও শোনা গিয়েছিল। ফলে ওই কারখানায় বাজি বানানো হতো নাকি অন্য কিছুই মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে সন্দেহ দানা বেঁধেছে। তবে বিস্ফোরণের পরেই মালিক নূর হোসেন(Noor Hossain) এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিস এসে ঝলসে যাওয়া দেহগুলি উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে চার জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে পুলিস তদন্তে নেমে আমডাঙ্গা (Amadanga)থেকে বাজি কারখানার মালিক নূর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

পাকিস্তানে শিখ খেদানোর পক্ষে চড়ছে সুর,নানকানা সাহিবের নাম পরিবর্তনের হুমকি পাকিস্তানি মুসলিম বিক্ষোভকারীদের

শুক্রবারের পর শনিবারো অব্যাহত বিক্ষোভ | পাকিস্তানের নানকানা সাহিব প্রদেশের গুরু নানকজির জন্মস্থানের তৈরি হওয়া গুরুদ্বারার মূল ফটক আটকে একদল উন্মত্ত কট্টরপন্থী মুসলমান চেঁচিয়ে শাসাচ্ছেন পাকিস্তানের শিখ সম্প্রদায়ের মানুষকে | কি বলছেন ? বলছেন,আমি যদি সাচ্চা মুসলমান হই,তবে এই জায়গার নাম আমি বদলে দেব |

নানকানা সাহিব নয়,নতুন নাম হবে গুলাম-এ-মুস্তাফা(Ghulam-e-Mustafa) | আর কোন গুরুদ্বারা এখানে থাকবে না | মসজিদ হবে এখানে | তাতে আমার প্রাণ গেলেও ভালো | ওই জমায়েতে তার আশপাশে দেখা যাচ্ছে খুদে বিক্ষুব্ধদেরও | সোশ্যাল ভাইরাল হওয়া এই ছবি দেখে আঁতকে উঠছেন ভারত ও বিস্তীর্ণ প্রান্তের শিখ সম্প্রদায়ের মানুষ | একমাত্র পাকিস্তানের প্রশাসন ছাড়া |

তাদের পুলিশ ও প্রশাসনের কোন হেলদোল নেই | উত্তেজনা প্রশমনের পথে তারা হাঁটেননি | কর্ণপাত করেননি ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের থেকে দেওয়া বিবৃতিতেও | শুক্রবার এই ঘটনা জানার পরই বিদেশ মন্ত্রক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে অবিলম্বে পাকিস্তান সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে |

কিন্তু শনিবার মুসলিম বিক্ষোভকারীদের শাসানির তীব্রতা বাড়লেও কোন পদক্ষেপ করেনি পুলিশ বা প্রশাসন | ফলে বিজেপি দিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনার কার্যালয়ের সামনে একটি বিক্ষোভ সংঘটিত করতে চলেছেন | আশা তাতে যদি পাকিস্তান প্রশাসনের হুঁশ ফেরে |

শুক্রবার ওই একই জায়গার আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল| যেখানে প্রকাশ্যে এই ব্যক্তিকে বলতে শওনা যায়,পাকিস্তানে একজন শিখকেও থাকতে দেব না | আমি আসছি |অবশ্য মোদি (Modi)বিরোধীতায় সরব বামেদের এখনও এই নিয়ে কোনো প্রতিবাদ চোখে পড়েনি |পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্র্দায়ের অস্তিত্ব রক্ষার এই চরম পরিণতি দেখার পরও |

পাকিস্তানে নানকানা সাহিবে শিখদের ওপর হামলা উন্মত্ত মুসলিম জনতার

পাকিস্তানে(pakistan) অবস্থিত শিখ সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র নানকানা সাহিবে হামলা চালালো একদল উন্মত্ত মুসলিম জনতা। উন্মত্ত মুসলিম জনতা অনবরত শিখ বিরোধী শ্লোগান দিতে থাকে। তাঁরা গুরুদ্বার(Gurudwara) লক্ষ্য করে ব্যাপক পাথর ছুঁড়তে থাকে। সেইসময় ভারত থেকে পাকিস্তানে যাওয়া একদল শিখ পুণ্যার্থী গুরুদ্বারে ছিলেন। এই ঘটনা গতকাল ৩রা জানুয়ারি, শুক্রবার এই ঘটনা ঘটে।

নানকানা সাহিবে হামলার ঘটনার একটা ভিডিও সামনে এসেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে একদল উন্মত্ত মুসলিম জনতা গুরুদ্বারে জমায়েত করেছে। তাঁরা অনবরত শিখ বিরোধী শ্লোগান, আল্লাহু আকবর শ্লোগান দিয়ে গুরুদ্বার লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ছে। এই ঘটনা সামনে আসার পর বিশ্বব্যাপী শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। পাঞ্জাবের শিখরা নানকানা সাহিব রক্ষায় ভারতের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। সেইসঙ্গে সেখানে আটকে পড়া পুণ্যার্থীদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক বিবৃতি জারি করেছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে অমিত শাহ(Amit Shah) বলেছেন এই ঘটনা প্রমান করে পাকিস্তানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো কিছুই সুরক্ষিত নয়। প্রসঙ্গত, নানকানা সাহিব হলো গুরু নানকের জন্মস্থান এবং বিশ্বব্যাপী শিখদের কাছে এক পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচিত।

Design a site like this with WordPress.com
Get started