শ্মশানের নিস্তব্ধতা উহানে, সার্সের চেয়েও চিনে ভয়ঙ্কর আকার নিচ্ছে করোনাভাইরাস

চিনে সার্স মহামারীর চেয়েও ভয়ানক চেহারা নিচ্ছে অ্যাকিউট নিউমোনিয়া(Acute pneumonia)। এখনও পর্যন্ত নোভেল করোনাভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪২৬ জনের। আক্রান্ত প্রায় ১৭ হাজার। তাঁদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অন্তত ২৩০০ জন। অন্য ২৩টি দেশে আক্রান্ত অন্তত ১৫১। তার মধ্যে ফিলিপিন্সে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নোভেল করোনার ভয়ানক কামড়। চিনে মহামারী। মৃত্যুমিছিল চলছেই। ২০০২ ও ২০০৩ সালে মেনল্যান্ড চিনে ছড়িয়েছিল সার্স অর্থাত্‍ সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম। মারা গিয়েছিল ৩৪৯ জন। চিনের স্বাস্থ্য কমিশনের রিপোর্ট বলছে, মৃত্যুর হারে সার্সকেও ছাড়িয়ে গেল নোভেল করোনাভাইরাস। আতঙ্ক বাড়ছে। আশঙ্কা ক্রমেই জাঁকিয়ে বসছে।

নোভেল করোনাভাইরাসের উত্সস্থল হুবেই প্রদেশের উহান শহরে কার্যত শ্মশানের নিস্তব্ধতা। শনিবার মারা যান ৪৫ জন মানুষ। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যান ৪৯ জন। রবিবার ৮০ জন বাড়ি ফিরে গেলেও অ্যাকিউট নিউমোনিয়ায় মারা যান ৫৬ জন। গোটা শহর অবরুদ্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। চিনের আরও ২০টি শহরে লকডাউন। পৃথিবীর একাধিক দেশ সিঁটিয়ে রয়েছে সংক্রমণের ভয়ে। গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। হুবেই সহ চিনের অন্য প্রদেশেও টাটকা শাকসবজি এবং চিকিত্সা সংক্রান্ত সরঞ্জাম দ্রুত জোগানের ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। শ্যানডং, জিয়াংশু, আনহুই, হুনান, গুয়াংজি এবং অন্য সবজি উত্পাদনকারী অঞ্চলের সঙ্গে নিয়মতি যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যাতে হুবেই প্রদেশে টাটকা সবজির জোগানে ঘাটতি না হয়।

উহানে আটকে থাকা রাশিয়ানদের দেশে ফেরানোর তোড়জোড় শুরু করে রাশিয়া সরকার। জানান প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুসতিন। চিনের বাইরে সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাস সংক্রমণ থাইল্যান্ডে। রাজাভীতি হাসপাতালে ভর্তি করোনা ভাইরাস আক্রান্ততদের সঙ্গে দেখা করেন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। চিনা নাগরিকদের দেশের বাইরে বেরোতে বারণ করেছে বেজিং। মার খাচ্ছে বিভিন্ন দেশের পর্যটন। নতুন চান্দ্র বছরে ছুটির মরশুমে জাপানের পর্যটন ব্যবসা কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

আজ দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়, বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, বীরভূমে আজ হালকা বৃষ্টি হতে পারে।

ফের ভোগান্তি; আজ দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়, বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা কলকাতায়

সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। বেড়েছে তাপমাত্রা। বঙ্গোপসাগরে বিপরীত ঘূর্ণাবর্তের জেরে পূবালী  হাওয়ায় ঢুকেছে জলীয় বাষ্প।  এর জেরেই  দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মেঘলা। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার আকাশও মেঘলা থাকবে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, বীরভূমে আজ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কলকাতায়। চলবে শুক্রবার পর্যন্ত। ওড়িশা-ঝাড়খণ্ড লাগোয়া জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি হবে।

বাতাসে জলীয় বাষ্প ও মেঘের ফলে কলকাতার তাপমাত্রা এক ধাক্কায় বাড়ল ৪ ডিগ্রি। সকালে সামান্য কুয়াশা হলেও পরে আংশিক মেঘলা হতে পারে আকাশ। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.২ ডিগ্রি। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের  ২ ডিগ্রি নিচে ছিল। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৩৭-৯৭  শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় কোনও বৃষ্টি হয়নি।

ভারতকে হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণা করার দাবি জানালেন পুরীর শংকরাচার্য

ভারতকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানালেন পুরীর শংকরাচার্য স্বামী নিশ্চলানন্দ স্বরস্বতী(Swami Nishchalananda Swaraswati)। তিনি রাষ্ট্র সংঘের কাছে দাবি জানিয়েছেন যে ভারতের সঙ্গে সঙ্গে নেপাল এবং ভুটানকেও হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হোক। CAA -এর সমর্থনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এই মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি তাঁর দাবির সমর্থনে যুক্তিও দিয়েছেন। তিনি বলেন যে পৃথিবীতে অনেকগুলি মুসলিম রাষ্ট্র এবং খ্রিস্টান রাষ্ট্র রয়েছে। কিন্তু কোনো হিন্দু রাষ্ট্র নেই। পৃথিবীর কোথাও হিন্দু অত্যাচারিত হলে তাঁর আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো দেশ নেই। তাই ভারত, নেপাল এবং ভুটান যদি হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষিত হয়, তবে অত্যাচারিত হিন্দুরা এই তিন দেশে আশ্রয় পাবে। সেইসঙ্গে তিনি বলেন যে এমন নিয়ম করা উচিত, যাতে যদি কোনো মুসলমান নিজেকে কোনো খ্রিস্টান দেশে অত্যাচারিত মনে করে, তাহলে সে যেন কোনো একটি মুসলিম দেশে আশ্রয় পায়। CAA নিয়ে দেশব্যাপী সমর্থন এবং বিরোধের মাঝে স্বামীজির মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দিনাজপুরের তারগাঁও-এর কালী মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের মঠ-মন্দিরের ওপর হামলা অব্যাহত। নতুন বছরেও তার ব্যতিক্রম হলো না। এবার দুষ্কৃতীরা দিনাজপুর কাহারোল উপজেলার ৪ নং ইউপির তারগাঁও গ্রামের কালী মন্দির ভাঙচুর চালালো দুষ্কৃতীরা। গতকাল ৫ ই জানুয়ারি আনুমানিক সকালে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গিয়েছে, বিকেলে স্থানীয় এক বাসিন্দা দেখেন যে কালী প্রতিমা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। কালী মূর্তির মাথা নীচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তিনি সব বাসিন্দাকে খবর দেন। খবর পেয়ে মন্দিরের সামনে জড়ো হন স্থানীয় হিন্দু বাসিন্দারা। তারা এই ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

পুরুষের চেয়েও শক্তিশালী দীপিকা JNU-এ হাজির হওয়ায় অভিনেত্রীর ভূয়ষী প্রশংসা নেটিজেনদের

 JNU-এ পড়ুয়াদের আন্দলোনকে সমর্থন করেন৷ জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে বাম ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষসহ( Ishii Ghosh ) সংগঠনের সদস্যদের উপর মুখোশধারী দুষ্কৃতীদের হামলার পর তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেন দীপিকা পাডুকন৷ সেই সূত্র ধরেই সোমবার রাতে সোজা JNU-তে পৌঁছে যান (Deepika Padukone) দীপিকা পাডুকন৷ কথা বলেন ঐশী ঘোষসহ আন্দোলনরত (Student) পড়ুয়াদের সঙ্গে৷


দীপিকার ওই পদক্ষেপের পর সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে সমর্থন জানাতে শুরু করে (Bollywood) বলিউডের একাংশ৷ দীপিকাকে সমর্থন করে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলের ছবি পালটে দেন চলচ্চিত্র পরিচালক (Anurag Kashyap) অনুরাগ কাশ্যপ৷ দীপিকার সমর্থনে সুর চড়ান তিনি এবংং স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কাউকে ভয় পান না৷

অনুরাগ কাশ্যপের পাশাপাশি (Actor) অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর(Sbarā bhāskara)ও দীপিকার পাশে দাঁড়ান৷ শুধু তাই নয়, পুরুষের তুলনায় দীপিকা অনেক বেশি শক্তিশালী বলেও মন্তব্য করেন স্বরা৷ অনুরাগ, (Swara Bhasker) স্বরার পাশাপাশি গওহর খান, কৃতিকা কর্মা, অনুভব সিনহারাও দীপিকার পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সমর্থন জানান৷
এদিকে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হয়ে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়ানোয় দীপিকার সিনেমা ছপক বয়কটের ডাক দিতে শুরু করে বেশ কয়েকটি সংগঠন৷ যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য় করেননি বলিউডের ‘মস্তানি’৷

ধর্মঘটের নামে দাদাগিরি! মল্লিকবাজারে হুমকি দিয়ে দোকান বন্ধ করল ধর্মঘটিরা

ভারত বনধে(India is in bonds) সকালে বেশ খানিকটা সময় রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালাল বনধ সমর্থকরা। কোথাও সরকারি বাসের কাচ ভেঙে, কোথাও অটো ভেঙে বনধ করতে বাধ্য করা হয় সাধারণ মানুষকে। সাত সকালেই তা শুরু হয় বারাসতে(Barasat)। বেলা গড়াতেই সেই ছবির ধরা পড়ল মল্লিকবাজারে।

সকালেই মল্লিকবাজারে( Mallikarbazar)বনধ করা নামে দাদাগিরি শুরু করে দেয় বন্ধ সমর্থকরা। মল্লিকবাজারে যেখানে গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকান রয়েছে সেখানে প্রতিটি দোকানে গিয়ে জোর করে শার্টার নামিয়ে দেন বনধ সমর্থকরা। এদিন বামেদের সঙ্গে ছিল আইএনটিইউসির কর্মীরাও। তাদের তাণ্ডবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোকানদাররা। জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদক এনিয়ে প্রশ্ন তুললে তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ ধর্মঘটিরা। বিভিন্ন ধরনের কুকথাও বলেন।

ধর্মঘটিদের বক্তব্য, তাঁরা দোকানে দোকানে দিয়ে বনধ করতে অনুরোধ করছেন। বাস্তবে কিন্তু দেখা যান ভিন্ন চিত্র। প্রায় হুমকি দিয়েই তাঁরা দোকানের শার্টার নামাতে বাধ্য করছিলেন দোকানদারদারে। দোকান বন্ধ করতে রাস্তায় নামা এক ব্যক্তি বলেন, দোকানদারদের বলা হচ্ছে আপনাদের জন্য রাস্তায় নেমেছি আমরা। দেশে কাজ নেই, একের পর এক ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে। আপনারা আমাদের সাহায্য করুন।

কিন্তু অনুরোধর ভাষা কী গালাগাল? হুমকি? ধর্মঘটের সমর্থনের নামা এক ব্যক্তি জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধিকে জানান, ‘অনেকদিন আগে থেকেই বনধের কথা বলা হয়েছিল। আমরা অনুরোধ করে দোকান বন্ধ করার কথা বলছি। কাউকে জোর করছি না। ’ এর মধ্যেই জি ২৪ ঘণ্টা ও মিডিয়ার নামে আপত্তিকর কথা বলা হয়।

বনধকে কেন্দ্র করে বিরোধীদের আচরণে ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি বলেন, বছরে চারবার করে বন্ধ করে সিপিএম। ট্রেনের চাকার নিচে বোমা রেখে দেওয়া কোন আন্দোলন নয়। ওরা গুন্ডাগিরি করেছে। এরচেয়ে কেরালার সিপিএম অনেক ভালো। এখানে ওরা সাইনবোর্ড হয়ে গেছে। এখানে শাসক দল। তারপরও এখানে এই আন্দোলনের কি মানে। একে আন্দোলন বলে না।

হাওড়ার কাসুন্দিয়াতে ১৩৬ বছরের পুরোনো মায়ের মন্দিরের বিগ্রহের গা থেকে সর্বস্ব চুরি করল দুষ্কৃতীরা

মন্দিরে মায়ের বিগ্রহ(Mother’s blessing) আছে | নেই শুধু মায়ের গায়ের গয়নাগাটি | এমনকি পরের দিনের পুজোর জন্য যে ফল রাখা ছিল তাও সঙ্গে নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা | হাওড়ার কাসুন্দিয়াতে এমনই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটল ১৩৬বছরের পুরোনো মন্দিরে | ওই মন্দির ছাড়াও সঙ্গে আশপাশের মন্দিরেও ঘটেছে একই রকমের চুরির ঘটনা |

পুলিশ এসে ছবি তুলে নিয়ে গিয়ে শুরু করেছে তদন্ত | রবিবার রাতে যখন এই কাজ সারছিল দুষ্কৃতীরা তখন ঘড়িতে ৩.৫২ আনুমানিক | রাস্তার সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজে তাই বলছে | মন্দিরের ভিতরে কোন সিসিটিভি না থাকায় পুরো অপারেশনের ছবি পাওয়া সম্ভব না হওয়ায় খানিকটা মুশকিলে পুলিশ |

সোমবার ভোরে পুজোর আগে ঘর মুছতে আসা এক মহিলা প্রথম খেয়াল করেন মা রয়েছেন ,কিন্তু খোয়া গিয়েছে তার সমস্ত গয়না গাটি | এমনকি গায়ের মুণ্ডোমালাও | সঙ্গে শিব লিঙ্গেরও বেশ কিছু সোনার অলঙ্কার খোয়া গিয়েছে |

ডাকাডাকি করায় পাড়ার সবাই এসে ভিড় জমায় মন্দিরে | আসেন সেবায়েতরাও | দেখা যায় সোনার হার,বালা,জিভ সহ বাবার পৈতে ,সাপ সহ রূপোর একাধিক অলঙ্কার চুরি করে নিয়ে যান দুষ্কৃতীরা |গোটা ঘটনায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ | তাদের দাবি ,১৩৬বছরের এই মন্দিরে এই ঘটনা বিরল |

ট্রাম্পের মাথার দাম ৮০ মিলিয়ন ডলার,ঘোষণা হল সুলেইমানির জানাজাতে

ইরানে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের(Donald Trump) মাথার দাম ধার্য্য হয়েছে ৮০ মিলিয়ন ডলার । ধারণা করা হচ্ছে যে এই নতুন ঘোষণা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরো বাড়িয়ে তুলবে ।

অন্যদিকে, ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি হুমকি দিয়েছেন এবং বলেছেন যে প্রতি আক্রমণ করলে ইরানকে ধ্বংস করে দেবেন ।

সৌদি ফ্রি টু এয়ার রেডিও চ্যানেল আল আরাবিয়া মোতাবেক ইরানে সেনাবাহিনী জেনারেল কাসিম সুলেইমানির মৃত্যুতে শোক মিছিল চলাকালীন একটি সংস্থা ট্রাম্পের শিরশ্ছেদ করার জন্য ৮০ মিলিয়ন ডলার পুরষ্কার ঘোষণা করে ।

এই পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করতে, সংস্থাটি ইরানের আশি মিলিয়ন নাগরিকের প্রত্যেককে এক ডলার করে অনুদানের জন্য আবেদন করে ।

প্রসঙ্গত সুলেইমানির অন্তিম সংস্কার করা হয়েছিল ইরানের মাসাদে। ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন প্রতিশোধ নিলে তিনি ইরানের সাংস্কৃতিক স্থানগুলিতে আক্রমণ করবেন ।

ট্রাম্প অন্য এক বিবৃতিতে বলেছিলেন যে ইরান তার শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসিম সুলেইমানির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করলে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাঘাত করবে এবং ইরানের সাংস্কৃতিক স্থানগুলিতে বোমা ফাটাবে ।

এর আগেও ট্রাম্প বহুবার ইরানকে হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছিলেন যে ইরাক যদি মার্কিন সেনাদের ফেরত পাঠাতে তার সংসদে কোনো আইন পাশ করে তবে আমরা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞাগুলি আরোপ করব ।

তিনি বলেছিলেন যে তারা যদি আমাদের ছেড়ে চলে যেতে বলেন, যদি এটি বন্ধুত্বপূর্ণ পদ্ধতিতে না করা হয় তবে আমরা তাদের উপর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করব। এই নিষেধাজ্ঞাগুলির পাশে ইরানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাও সামান্য মনে হবে ।

অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ বাঁকুড়ার খেজুরখেন্যা গ্রামে,আতঙ্কে গ্রামবাসী

২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে বাঁকুড়া(Bankura) ,ঝাড়গ্রামে বাঘের ভয়ে প্রায় অতীষ্ঠ হয়ে উঠেছিল জীবন | দুজন মারাো গিয়েছিল বাঘের অতর্কিত হানায় | শেষমেশ বাঘকে কব্জা করা সম্ভব হয় অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে | সেই ভয়ের স্মৃতি ফিরে এল বাঁকুড়ায় |

তবে এবারে বাঘ কিনা তা নিয়ে মোটেই নিশ্চিন্ত নন গ্রামবাসীরা | বারিকুল থানার খেজুরখেন্যা গ্রামে সরষে খেতে দেখা মিলল অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ। তবে ঐ পায়ের ছাপ বাঘের বলেই অনুমান করছেন গ্রামবাসীরা ।

এই ঘটনায় এলাকায় যথেষ্ট আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী হয়েছে। আতঙ্কিত রয়েছে আশেপাশে বেশ কয়েকটি গ্রামের এলাকার বাসিন্দারা ।

রবিবার সকালেও ঐ গ্রামে গিয়ে দেখা গেল জঙ্গল লাগোয়া এই গ্রামের সরষে খেতের ভেজা মাটিতে অজানা জন্তুর পায়ের ছাপ স্পষ্ট। শনিবার(Saturday) প্রথমবার এই পায়ের ছাপ দেখা গেছে বলে দাবি গ্রামবাসীদের ।

আর ওই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সারা এলাকায়। খবর পেয়েই ঐ দিন গ্রামে পৌঁছন বনদফতরের কর্মী আধিকারিকরা। আধিকারিকরা সরেজমিনে খতিয়ে দেখছেন স্পষ্ট পায়ের ছাপটি বাঘের না অন্য কোন প্রাণীর ।

সেই ছাপ দেখতে ভিড় জমিয়েছে আশেপাশে এলাকার বাসিন্দারা। প্রাণীটি দেখা না গেলেও অজানা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে সংশ্লিষ্টা বাসিন্দারা |

বাম সমর্থকদের জেএন ইউ বিশ্ববিদ্যালয় অচল করার অধিকার কে দিল,প্রশ্ন অনেকের

জেএন ইউ নিয়ে সরগরম দেশ। যেখানে চাপা পড়েছে সিএএ(CAA)-র বিক্ষোভ। বিতর্ক দানা বেধেছে হামলা কে আগে করেছে তা নিয়ে। এবিভিপির দাবি দুই বাম ছাত্র সংগঠনের নিজেদের সংঘর্ষকে তারা তাদের উপর দিয়ে চালাতে চাইছে । আর বাম সংগঠনের দাবি এবিভিপির ‘গুন্ডারা’ই মহিলাদের হস্টেল থেকে শুরু করে তাণ্ডব চালিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে । এসবের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাত করেই এক ভিডিও রাইজিং বেঙ্গলের হাতে এসে পৌছয় ।

সেখানে নাকি ওভাবেই বাম ছাত্র সংগঠনের সমর্থকেরা অবস্থান করে নিত্যদিনের কর্ম কাণ্ড বানচাল করে চলেছে লাগাতার। শোনা গিয়েছে সাধারণ পড়ুয়াদের রেজিস্ট্রেশন করতে বাধা দিচ্ছিল ওই বাম সংগঠন। অন্যথায় ছাত্রীদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ ও উঠছে এস এফ আই এর বিরুদ্ধে । সেটা আলাদা প্রসঙ্গ ধরে নিলেও কিছু প্রশ্ন উঠছেই। জেএনইউতে মুখোশধারীদের যে আক্রমণের জন্য আজ ছুটে গেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী , তার জমানাতেই পড়ুয়া ডাক্তারদের উপর হামলা হয়েছে,পার্শ্ব শিক্ষকদের উপর পুলিশের লাঠি চালানোর মত অভিযোগ উঠেছে,দাড়িভিটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুলি অবধি চলেছে ।

আর বাম সংগঠন প্রভাবিত যাদবপুর বিশ্ব বিদ্যালয়ের কোন আন্দোলনের চেহারার সঙ্গে মোটের উপর সবাই পরিচিত। বাম রাজনীতির ‘মানছি না মানবো না ‘ সংস্কৃতিকে শিক্ষাঙ্গণে অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে তারা। তা সে হোক কলরবই হোক বা অন্য আন্দোলন। মোদ্দা কথা শিক্ষায় অনিলায়নের প্রভাবে জেএনইউর মত আরও বাম প্রভাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ে যে এহেন ভোগান্তি আর ও পোহাতে হবে সেখানকার কর্তৃপক্ষকে,সে কথা বলাই বাহুল্য ।

Design a site like this with WordPress.com
Get started