CAA এর বিরোধের নামে হিংসায় যুক্ত ছিল ১৫ জন বাংলাদেশি! নষ্ট করেছে সরকারি সম্পত্তি, রিপোর্টে জানালো SIT

CAA ও NRC নিয়ে দেশজুড়ে হিংসার ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আসছে। উত্তর প্রদেশে হওয়া হিংসায় PFI অর্থাৎ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার লিংক পাওয়া গেছে। যারা মূলত কট্টরপন্থী দাঙ্গাবাজ হিসেবে পরিচিত। আতঙ্কবাদীদের সাথেও PFI এর বহুবার লিঙ্ক পাওয়া গেছে। উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লীতেও ব্যাপক হারে হিংসা হতে দেখা গেছিল। CAA বিলের প্রতিবাদের নামে পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লী(Delhi) ও উত্তরপ্রদেশে ভাঙচুর চলেছিল। উত্তরপ্রদেশে PFI এর যুক্ত থাকার খবর সামনে আসার পর এখন দিল্লী হিংসাতে বাংলাদেশিদের যুক্ত থাকার খবর সামনে এসেছে।

SIT (Special investigation team) জানিয়েছে দিল্লীতে CAA এর প্রতিবাদের নামে যে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল তাতে ১৫ জন বাংলাদেশি যুক্ত ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লীর হিংসায় যুক্ত থাকা সকল অবৈধ বাংলাদেশি দিল্লীর সিমাপুরী এলাকায় থাকে। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে ২০ ডিসেম্বর শুক্রুবারদিন জুম্মার নামাজ পড়ার পর অবৈধ বাংলাদেশিরা CAA বিরোধী আন্দোলনে সামিল হয়েছিল। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই অবৈধ বাংলাদেশিরা হিংসায় লিপ্ত হয়। পুলিশের গায়ে পাথর ছোড়া থেকে শুরু করে সরকারি সম্পত্তিতে আগুন লাগনোর মতো কু-কৃত্য ঘটায় অবৈধ বাংলাদেশিরা।

দিল্লী পুলিশ বেশকিছু অবৈধ বাংলাদেশি মুসলিমকে গ্রেফতার করেছে। SIT এখনও অবধি ১৫ জন অবৈধ বাংলাদেশিকে চিহ্নিত করেছে। যারা দিল্লীতে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করে উপদ্রব চালিয়েছিল। মঙ্গলবার দিন তিহাড় জেলে গিয়ে SIT এর সদস্যরা আরো কিছু অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাবে বলেও সূত্রের খবর।

দিল্লী ব্যতীত পশ্চিমবঙ্গে যে হিংসা হয়েছিল তাতেও সমস্থ দায় লুঙ্গি বাহিনীর উপর পড়েছিল। যদিও পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে কোনো রিপোর্ট এখন অবধি সামনে আসেনি। । লুঙ্গি বাহিনীর উৎপাতের ফলে রেলওয়ের প্রায় ৮০ কোটি টাকা নষ্ট হয়েছে। কে বা কারা রেলের সম্পত্তি নষ্ট করেছে তা স্পষ্ট না হলেও যে সমস্থ ভিডিওগ্রাফি সামনে এসেছে তা থেকে সম্পূর্ণ দায় লুঙ্গিবাহিনীর উপর পড়েছে।

বিয়ের ব্যায়ভার বহনে অক্ষম বাবাকে মুক্তি দিতে পরিত্যক্ত খাদানে আত্মহত্যা যুবতীর

মেয়ের বিয়ের খরচের কথা ভেবে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন বাবা| তা জানতে পেরে শুক্রবার(Friday) পরিত্যক্ত খাদানে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা(Suicide) করল মেয়েটি। ২২ বছরের তরুণী সুস্মিতা গোপ(Susmita gope )| আগামী ২৭ জানুয়ারি তার বিয়ের দিন ঠিক ছিল| পুরুলিয়ার নিতুরিয়া থানা এলাকার রানিপুরের(Ranipur) ঘটনা |

তার বাবা সুধীর গোপের(Sudhir gope) পেশায় কৃষক। বিগত ২-৩ দিন ধরে বাড়িতে তার আসন্ন বিয়ের খরচ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছিল| কীভাবে বিয়ের খরচ যোগাড় করবেন তা নিয়ে চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন বাবা| শুক্রবার সকালে উঠে স্বাভাবিকভাবেই চা করে সবাইকে খাইয়েছিলেন সুস্মিতা |

তারপর রান্নাবান্নার যোগাড়ের কাজ করে সকাল ৮টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান| তারপর আর ফিরে আসেননি| অনেকখন মেয়ে বাড়ি না ফেরায় খোজ পড়ে সুস্মিতার। পরে জানা যায় সে একটি পরিত্যক্ত খাদানে ঝাঁপ দিয়েছেন |

ঘটনাস্থলে আসে নিতুরিয়া পুলিশ ও দমকল| খবর দেওয়া হয়েছে ইসিএল-এর উদ্ধারকারী দলকে| সুস্মিতার মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে |

একদিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দরিদ্র পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে আর্থিক সহায়তার জন্য রূপশ্রী প্রকল্প চালু করেছেন, তখন বাবাকে খরচের হাত থেকে বাঁচাতে বিয়ের ঠিক আগেই এই তরুণী পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায় |

বছরের প্রথম দিনেই লাফিয়ে বাড়ল ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম(The price of subsidized cooking gas jumped on the first day of the year)

রান্নাঘরে ফের আগুন। টানা চার মাসে ফের বাড়ল ভর্তুকিহীন গ্যাসের(১৪.২ কেজি) দাম।

বুধবার(Wednesday) নববর্ষের(New year) প্রথম দিনেই কলকাতায় গ্যাসের দাম লাফিয়ে বাড়ল ২১.৫০ টাকা।

ইন্ডিয়ান অয়েলের বিবৃতি অনুযায়ী দিল্লি ও মুম্বইয়ে ভর্তুকিহীন গ্যাসের দাম বাড়ল যাথাক্রমে ১৯ টাকা ও ১৯.৫০ টাকা।

কলকাতায় আজ থেকে ভর্তুকিহীন গ্যাসের দাম হল ৭৪৭ টাকা। ডিসেম্বরের শুরুতেই দাম বেড়ে হয়েছিল ৭২৫ টাকা।

এবছর গত চার মাসে কলকাতায় ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাসের দাম ধাপে ধাপে ১৪৬ টাকা বেড়ে হল ৭৪৭ টাকা।

১৯৮৭ সালের আগে ভারতে জন্মানো সমস্ত নাগরিকই ভারতীয়(All citizens born in India before 5 are Indian)

নাগরিকত্ব আইনের নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যেই সূত্রের খবর যে, ১৯৮৭ সালের আগে যারা ভারতে জন্মগ্রহণ করেছেন তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারতীয় নাগরিক হিসাবে বিবেচিত হবেন ।

আইন অনুসারে, এই জাতীয় লোকদের নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে উদ্বেগের দরকার নেই।

সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ২০০৪ অনুসারে, দেশের একজন নাগরিক যার অভিভাবক আছেন এবং অবৈধ অভিবাসী নন তাকে ভারতীয় নাগরিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

নাগরিকত্ব আইন এবং বিক্ষোভ নিয়ে চলমান বিতর্কের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি সম্পর্কে প্রচুর ভুল তথ্য রয়েছে।

এই কর্মকর্তা বলেছিলেন যে আইন অনুসারে ১৯৮৭ সালের আগে ভারতে যিনি জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভারতের নাগরিক হিসাবে বিবেচিত হবেন।

আসামের ক্ষেত্রে, কাট অফ তারিখটি ১৯৭১ বলে বিবেচিত হবে।

পাকিস্তান থেকে আগত সাত জন হিন্দু শরণার্থীকে সিএএ আইনে নাগরিকত্ব দান গুজরাতে(Seven Hindu refugees from Pakistan granted citizenship under CAA law in Gujarat)

দেশজুড়ে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আলোচনার মধ্যে পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দানের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে । আজ গুজরাটে সাতজন পাকিস্তানি হিন্দু শরণার্থীকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য কচ্ছে একটি অনুষ্ঠানে তাদের নাগরিকত্বের শংসাপত্র প্রদান করেন।এই সমস্ত হিন্দুরা পাকিস্তানে বিবিধ হয়রানির শিকার হয়ে পাকিস্তান থেকে গুজরাটে এসেছেন।

নাগরিকত্ব সংশোধন আইন লাগু হওয়ার পরে , গুজরাট রাজ্য প্রথম রাজ্য হিসেবে হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে সক্ষম হল।গুজরাটে প্রায় ৩৫০০ পাকিস্তানি হিন্দু শরণার্থী বসবাস করছেন।

এর মধ্যে ১১০০ শরণার্থী মরবিতে, ১০০০ রাজকোটে, ৫০০ বনসকণ্ঠে এবং আড়াইশোটি কচ্ছে বসবাসরত। এর বাইরে কিছু শরণার্থী অন্যান্য অংশেও বাস করছেন। ১৯ ডিসেম্বর, গুজরাটে নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে একটি সহিংস প্রতিবাদ হয়েছিল। জনতা আহমেদাবাদের শাহ আলমে পুলিশকে লক্ষ্য করে প্রচণ্ড পাথর ছুঁড়েছিল। এতে ১৯ জন পুলিশ আহত হয়েছেন। পুলিশ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তারও করে।

জন্মের নথিতেই প্রমাণ হবে নাগরিকত্ব, লাগবে না ৭১–র আগের কোনও নথি, জানাল কেন্দ্র(Birth documents will prove to be citizenship, not any previous documents, window center)

২০ ডিসেম্বর:(20th december) সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়েছে দেশ। বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে একের পর এক রাজ্যে। এবারে সেই উত্তাপ প্রশমিত করতে তৎপর হলো কেন্দ্রীয় সরকার। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে একাধিক টুইট করা হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে গিয়ে কোনও ভারতীয়কে যাতে অহেতুক হয়রানির মুখে পড়তে না হয় তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। টুইটে বলা হয়েছে শুধুমাত্র জন্মের নথি বা জন্মস্থানের নথি দাখিলের মাধ্যমে মানুষ তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারবেন।

এছাড়াও ১৯৭১ সালের আগে কোনো ব্যক্তির বাবা অথবা ঠাকুরদা, ঠাকুমার পরিচয় পত্রপত্র বা জন্মের শংসাপত্র এই সংক্রান্ত কোনো নথি জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য।

এছাড়াও যে সমস্ত নিরক্ষর ব্যক্তির কোনও নথি নেই তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণের ক্ষেত্রে সাক্ষী পেশ বা কমিউনিটি সদস্যদের দ্বারা সমর্থিত কোনও স্থানীয় নথি পেশের অনুমতি দিতে পারে প্রশাসন। এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

নাগরিকত্ব আইন সংশোধনীর বিরোধিতায় প্রতি দিন বাড়ছে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। শুক্রবার সকাল থেকেই প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের একাধিক এলাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে কানপুরে। বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। তাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছিল ৮ জন। তার মধ্যে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। উত্তরপ্রদেশের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব ছয়জনের মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছেন। যদিও এই মৃত্যু পুলিশের গুলিতেই হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোনো কিছু স্পষ্ট করে জানান নি।

বৃহস্পতিবার ও বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। অন্যদিকে দিল্লিতেও একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের কারণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছে। একাধিক গাড়ি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জামা মসজিদ এর সামনে এবং ইন্ডিয়া গেটের সামনে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। বেশ কিছু এলাকায় বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট। আজও বন্ধ ছিল দিল্লির ১০টি মেট্রো(metro) স্টেশন।

ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধানে : যষ্টিমধু(Medicinal plant: Liquorice/Licorice)

যষ্টিতে মধু, মানে এমন লাঠি যাতে মধুর আস্বাদন। কথাটা কিন্তু জ্যৈষ্ঠী মধু নয়, মানে জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রাপ্ত মধু, এমন অর্থ নয়। ফ্যাবেসী পরিবারের (Family: Fabaceae) এক ধরণের গুল্ম ( Perennial Shrub), যাতে গোলাপী বা খানিক বেগুনি রঙের ফুল (Pink colour flower)। এদের শেকড় অংশটি বেশ মোটাসোটা, গোলাকার, অনেকটা যষ্টি বা লাঠির মত; এই শিকড়-ই এই গাছ থেকে চয়ন করা হয় (Root is harvested for medicinal purpose which is sweet in taste). এই শেকড়ের টুকরো মুখে দিয়ে চিবিয়ে নিলে মিষ্টি লাগে, তাই মিষ্টি পান তৈরি করতে অনেকে ব্যবহার করেন এর ছোট্ট টুকরো। সচরাচর যে মিষ্টিপান তৈরি হয়, তাতে শর্করার আধিক্য, বারাবার মিষ্টিপান খাওয়া মানেই শরীরে বারবার চিনি নেওয়া, তাই তার বদলে ষষ্টিমধু দেওয়া পান পছন্দ করেন অনেক ডায়াবেটিসের রোগী।

এই গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Glycyrrhiza glabra, এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ ইউরোপ এবং এশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে (Native to Middle East, Southern Europe, parts of Asia). পৃথিবীর কয়েকটি দেশ যষ্টিমধু গাছের ছবি দেওয়া ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে আলজেরিয়া ২০১২ সালে এবং কিরঘিজিস্থান ২০১৩ সালে বিশেষ ডাকটিকিট প্রকাশ করে (Glycyrrhiza Philately published in Algeria in 2012 and Kyrgyzstan in 2013)। প্রস্তুত পোষ্টে তার ছবি (Postage stamps) এবং প্রথম দিনের খাম (First Day Cover) পরিবেশিত হল। এই দেশ দুটি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে সম্ভবত তাদের দেশে এই ফসলের আদি বাসভূমি তা প্রচারে আনতে এবং পরবর্তীকালে পেটেন্ট সংক্রান্ত সুবিধা পেতে ।


যষ্টিমধু আলসারের মহৌষধ, আলসার প্রতিরোধ ও নিরাময়ে এর শেকড়ের নির্যাস ব্যবহৃত হয়। এছাড়া সর্দি-কফ নিরাময়ে এর ব্যবহার অধিক; সঙ্গীত শিল্পীরা এর শিকড়-চূর্ণ মুখে দিয়ে রাখেন, কারণ তাতে কণ্ঠসঙ্গীত কর্কশতা মুক্ত হয়। শ্বাসযন্ত্রে আক্রান্ত জীবাণু, বিশেষত ভাইরাস বিমুক্তিতে যষ্টিমধুর ব্যবহার বহু প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে যষ্টিমধুর জুড়ি মেলা ভার। (Licorice root is used for gastrointestinal ailments, stomach ulcers. It is used as anti-inflammatory medicine. It has immune boosting properties)

ড. কল্যাণ চক্রবর্তী (Dr. Kalyan Chakraborty)

চন্দ্রাভিযানে ধাক্কা খেয়েছিলেন মনে আছে! আরও ধাক্কা খাবেন: মমতা

বিজেপি সরকারের একের পর ধাক্কা খেয়েছে বলে দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata )। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় ভারতের চন্দ্রাভিযানের(Mission Moon) ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে আনলেন তৃণমূল নেত্রী। স্মরণ করালেন, চন্দ্রাভিযানে ধাক্কা খেয়েছিলেন মনে আছে! তাঁর কটাক্ষ, বিজেপি নেতাদের মগধে মরুভূমি হয়েছে।

রানি রাসমণি রোডের সভায় মমতা বলেন,”চন্দ্রাভিযানে ধাক্কা খেয়েছিলেন মনে আছে! আমরা সবাই তাকিয়েছিলাম, কবে আমার দেশ চাঁদের মাটি ছোঁবে। ওটা ছিল প্রথম ধাক্কা। জনগণ আপনাদের চাইনি। জনগণ বৈজ্ঞানিকদের চেয়েছিল, আপনাদের চাইনি। আমরা চাই বৈজ্ঞানিকরা সাফল্য পান। যতদিন যাবে আরও ধাক্কা খাবেন। মানুষকে ধাক্কা দিলে নিজেকে ধাক্কা খেতে হয়।”

এরপরই গণভোটের দাবিতে বিজেপি সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন,”সারা ভারতবর্ষে একটা গণভোট হোক হয়ে যাক। আপনি করবেন না। রাষ্ট্রসঙ্ঘ করবে। মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা থাক। তাদের নিয়ে কমিটি হোক। তৃণমূলের থাকার দরকার নেই। বিজেপির থাকার দরকার নেই। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খৃষ্ট্রানের দরকার নেই। আমরা দেখতে চাই কত লোক CAA ও NRC মানছে? বলুন হেরে গেলে ইস্তফা দেবেন?” তার পাল্টা পশ্চিমবঙ্গে গণভোট চেয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর কথায়,”আমি বলছি, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নজরদারিতে পশ্চিমবঙ্গে একটা গণভোট হোক। কত লোক ওনাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান?একটা লোকও ওনাকে চাইবে না।”

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় লাগাতার কর্মসূচি নিয়ে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোম থেকে বুধবার- পরপর ৩দিন পদযাত্রা করেছেন তৃণমূল নেত্রী। বৃহস্পতিবার রানি রাসমনি রোডে ছাত্র-যুবদের সভায় বক্তব্য রাখলেন। আগামিকাল, শুক্রবার পার্ক সার্কাসে রয়েছে তাঁর সভা। এর পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে গোটা দেশকে পথে নামার আহ্বানও করেছেন মমতা। বলেন,”অনেক সময় রাস্তায় নামতে হয়। রাজনৈতিক দলের নাম ভুলে যান। ভুলে যান সম্প্রদায়ের নাম কী? সবাই নামুন। বিহারে নামুন, দিল্লিতে নামুন, উত্তরপ্রদেশে নামুন, উত্তর-পূর্বে নামুন। বসে থাকবেন না।”

সিএএ (CAA) বিরোধী আন্দোলনে ফের উত্তাল দিল্লি, বন্ধ ১৭টি মেট্রো স্টেশন, বন্ধ ইন্টারনেট আটক বহু

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিল্লি (Delhi)। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লালকেল্লা সহ বেশ কিছু এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ১৭ টি মেট্রো(Metro) স্টেশন সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় ইন্টারনেট (Internet)পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি ছাড়াও প্রতিবাদ বিক্ষোভ চলছে বেঙ্গালুরু হায়দ্রাবাদে। প্রতিবাদ করতে গিয়ে ব্যাঙ্গালুরুতে আটক হয়েছেন ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহ।

দিল্লির লালকেল্লা চত্বরসহ বেশ কিছু জায়গায় জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা (144)। কিন্তু তা উপেক্ষা করে সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু আগে থেকেই লালকেল্লার সামনে মোতায়েন করা ছিল প্রচুর পুলিশ। ফলে বিক্ষোভকারীরা লালকেল্লার সামনে জমায়েত হতে শুরু করলেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।

এদিনের বিক্ষোভে শামিল হয়েছিল স্বরাজ ইন্ডিয়ার সর্বভারতীয় সভাপতি যোগেন্দ্র যাদব। পুলিশ তাকেও আটক করেছে।দিল্লির মান্ডি হাউস চত্বরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় ব্যাফ। সেখান থেকেও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে পুলিশ।

কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য আগেভাগে ১৭ টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর বেশকিছু জায়গায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। দিল্লি সীমা লাগোয়া এন এইচ ৪৮,এমজি রোড, ওল্ড দিল্লি-গুরুগ্রাম রোড বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। এর ফলে বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়েছে শহরে। দিল্লি পুলিশের তরফে বিক্ষোভকারীদের বলা হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু জায়গায় প্রতিবাদ করুন। পুলিশকে সহযোগিতা করুন।

মান্ডি হাউসের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই একই জায়গায় প্রতিবাদে শামিল হয়েছিল সিপিএম। সেখান থেকেও সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং রাজা কে আটক করে পুলিশ।

Design a site like this with WordPress.com
Get started